1. admin@a2zbartanews.com : admin :
  2. royelnews2@gmail.com : ariful islam : ariful islam
  3. hafizurshahin@gmail.com : Hafizur Islam : Hafizur Islam
  4. litonsorkar1112@gmail.com : Liton Miya : Liton Miya
  5. md.sksamratkhan99@gmail.com : sk samrat : sk samrat
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল এখনো ফ্যাসিষ্ট দোসরদের নিয়ন্ত্রনে - A2Z Barta News
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রৌমারীতে নিজস্ব বাড়িতে বিভিন্ন যুবতী নারীকে দিয়ে দেহব্যবসা করে আসছে হামিদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ তিস্তার পানির কারণে দেশে প্রতিবছর ১৫ লক্ষ্ টন চাল উৎপাদন কম হচ্ছে -উলিপুরে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ৬ বছর পর চালু হলো পার্বতীপুর-রমনা লোকাল ট্রেন বিএনপি নেতা মোস্তাফিজর রহমান রঞ্জুকে এমপি হিসেবে দেখতে চায় কুড়িগ্ৰাম-৪ এর জনগণ বেনাপোল পৌরসভায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্ম শালা আয়োজন রৌমারীতে বিদ্যুতের ভোগান্তি কমাতে রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার সিস্টেম স্থাপন তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা এবং  মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে উলিপুরে জনতার বিশাল সমাবেশ রৌমারীতে নিজস্ব বাড়িতে বিভিন্ন যুবতী নারীকে দিয়ে দেহব্যবসা করে আসছে হামিদ রৌমারীতে নিজস্ব বাড়িতে বিভিন্ন যুবতী নারীকে দিয়ে দেহব্যবসা করে আসছে হামিদ

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল এখনো ফ্যাসিষ্ট দোসরদের নিয়ন্ত্রনে

  • প্রকাশকাল বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৮১ বার পড়া হয়েছে

 

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ ফ্যাসিষ্টের দোসর দুজন কর্মচারীর ঐদ্বত্বপূর্ণ আচরন লাগামহীন অনিয়ম দুর্নীতি সিন্ডিকেট তৈরীর ফলে ২৫০ শয্যা কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালটিতে এখন নৈরাজ্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বাস্থ্য সেবায় পদে পদে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির এখন চরমে।
ভুক্তভোগীদের অভিযাগে জানা গেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতির ভাতিজা পরিচয় দানকারী হাসপাতালটির প্রধান সহকারী ইউনূস আলী প্রায় ২২ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ প্রাপ্ত উচ্চমান সহকারী আক্তারুজ্জামান ১২বছর ধরে একই কর্মস্থলে আছেন। বিগত ফ্যাসিষ্ট আমল থেকে এখন পর্যন্ত তাদের দাপটে ডাক্তার নার্স সহ অন্যান্য কর্মচারী তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধচারন করলেই পরতে হয় নানা রকম রোষানলে। সে সাথে হাসপাতালের অনৈতিক কর্মকান্ড ও অনিয়ম তাদের জন্য নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপারের পরিণত হয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদরের ২৫০ শয্যা হাসপাতালটিতে প্রায় নার্স সহ ২০০ জন কর্মচারী রয়েছে। এদের প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন বদলী যোগদান চলমান থাকে। এ ক্ষেত্রে ইউনুছ আলী ও আকতারুজ্জামান সিনিয়র স্টাফ নার্সদের ছাড়পত্র প্রদানে ও যোগদানে প্রকাশ্যে ১০ হাজার টাকা ছাড়া কাজ করেন না। মেডিকেল এসিস্টেন্ট ইন্টার্নশিপ এর জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা জোরপূর্বক আদায় করে আসছেন। এ ছাড়া ১ শত ৫০ জন সিনিয়র ষ্টাফ নার্সদের প্রতিমাসে বিল করার নামে ৪ শত টাকা, শ্রান্তি বিনোদনের জন্য প্রতিজনের ৪ হাজার টাকার, সাধারন ছুটিতে গেলে ২ শত টাকা , মাতৃত্ব ছুটিতে গেলে ৫ হাজার টাকা, হাসপাতাল কেবিনে ভর্তি ও রুগির রশিদ বাবদ টাকার গড়মিল দেখিয়ে অর্থ আত্বসাৎ এর ঘটনা অহরহ। তাদের কাছে সংরক্ষিত থাকার সুবাদে মেডিকেল সার্টিফিকেটের গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও অর্থের বিনিময়ে দীর্ঘদিন আটকে রাখেন । এ ব্যাপারে ইতিপূর্বে তাদের দুজনের বিরুদ্ধে একাধিক বার ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট কতর্ৃপক্ষ কে অভিযোগ করেও কাজের কাজতো হয়নি উপরোন্ত অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে বিগত সরকার ও এখনও ভয় দেখিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারের ইউনুস আলী ও আকতারুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ এর ব্যাপারে কোন কথা বলতে তারা রাজি হননি।
হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ নুর নেওয়াজ আহম্মেদ এর সাথে এ ব্যাপারে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি তেমন জানি না। অবগত হলে উদ্ধর্তন কতৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানাবো।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ