1. admin@a2zbartanews.com : admin :
  2. royelnews2@gmail.com : ariful islam : ariful islam
  3. hafizurshahin@gmail.com : Hafizur Islam : Hafizur Islam
  4. litonsorkar1112@gmail.com : Liton Miya : Liton Miya
  5. md.sksamratkhan99@gmail.com : sk samrat : sk samrat
আজ উলিপুরে শোকাবহ হাতিয়া গণহত্যা দিবস - A2Z Barta News
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান রন্জু      পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক  রৌমারীতে নিজস্ব বাড়িতে বিভিন্ন যুবতী নারীকে দিয়ে দেহব্যবসা করে আসছে হামিদ আজ উলিপুরে শোকাবহ হাতিয়া গণহত্যা দিবস প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ তিস্তার পানির কারণে দেশে প্রতিবছর ১৫ লক্ষ্ টন চাল উৎপাদন কম হচ্ছে -উলিপুরে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ৬ বছর পর চালু হলো পার্বতীপুর-রমনা লোকাল ট্রেন বিএনপি নেতা মোস্তাফিজর রহমান রঞ্জুকে এমপি হিসেবে দেখতে চায় কুড়িগ্ৰাম-৪ এর জনগণ বেনাপোল পৌরসভায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্ম শালা আয়োজন রৌমারীতে বিদ্যুতের ভোগান্তি কমাতে রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার সিস্টেম স্থাপন

আজ উলিপুরে শোকাবহ হাতিয়া গণহত্যা দিবস

  • প্রকাশকাল শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ১৬০ বার পড়া হয়েছে

 

হাফিজুর রহমান শাহিন,কুড়িগ্রামঃ আজ ১৩ নভেম্বর শোকাভিভুত হাতিয়া গণহত্যা দিবস। এখানে উত্তারাঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বেশী হত্যাযঞ্জ সংঘটিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে এই দিনে ভোরে পাক বাহিনী উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের ৫টি গ্রামে হাতিয়া অপারেশন নামে এক পৈচাশিক বর্বরতা চালিয়ে আগুন দিয়ে ভষ্মীভূত করে দিয়েছিলো পুরো এলাকা। এরপর ৬৯৭জন নিরহ মানুষকে দাগারকুঠি নামক স্থানে জড়ো করে সারিবদ্ধ ভাবে দাড় করিয়ে পশু পাখির মত গুলি চালিয়ে তাদের হত্যা করে। পাক বাহিনীর অগ্নিসংযোগ ও হত্যাকান্ড থেকে কোলের শিশু পর্যন্ত রক্ষা পায়নি। অনেক শিশুকে পাক সেনারা ধরে আছাড় মেরে অথবা আগুনে নিক্ষেপ করে জঘন্যতম বর্বরতার মাধ্যমে তাদেরকেও হত্যা করেছ। সেদিন এ ভাবেই হাতিয়া ইউনিয়নের বাগুয়া, অনন্তপুর, রামখানা, নয়াডারা ও দাগারকুঠি গ্রামসহ পাশাপাশি গ্রামের মানুষকে যাকে যে অবস্থায় পেয়েছে তাকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ অপারেশন শুধু হাতিয়া ইউনিয়নেই নয়, পার্শ্ববর্তী বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের কলাকাটা, জলঙ্গারকুঠি, ফকির মোহাম্মদসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে একই সাথে হামলা চালানো হয়েছে। সেদিন পাক সেনাদের গুলি খেয়ে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে গেছেন এমন ব্যক্তির মধ্যে আজো বেঁছে আছেন অনেকে। সে দিনের সেই হত্যাকান্ডের কথা জিজ্ঞাসা করলে আজো তারা হাউমাউ করে কেঁদে ফেলে। সই সময় গুলি খেয়ে বেঁচে যাওয়া বাবর আলী, কামাল উদ্দিন বৃদ্ধ বয়সে কালের স্বাক্ষী হয়ে দিনক্ষন অতিবাহিত করছিল। হাতিয়া অপারেশনে পাক বাহিনীর গুলিতে এই ৫ গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবারের কোন না কোন স্বজন নিহত হয়েছেন। সে দিনের পাক বাহিনীর অপারেশনে এতো গুলো লোক দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দান করলো, সেই সব শহীদের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য ১৯৯৭ সালে তৎকালিন সংসদ সদস্য মোজাম্মেল হোসেন লালু এর আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রথম দাগারকুঠিতে (যে স্থানে ৬৯৭ জন মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল) স্মৃতিস্তম্ভ্ব নির্মান করা হয়। সেই স্মৃতিস্তম্ভ্ভ আজ ব্রহ্মপুত্র নদের গর্ভে বিলিন হয়েছে। এর পরবর্তী সময়ে হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মান করা হলেও সেখান থেকে দৃষ্টি নন্দনের কারনে ২০১১ সালে এই স্মৃতিস্তম্ভ্ভটি স্থানান্তরিত করে বর্তমানে বাগুয়া-অনন্তপুর বাজার সংলগ্ন পশ্চিম পাশের্ব মোড়ে নির্মিত হয়েছে। পাক বর্বরতার শিকার ৬৯৭জন শহীদের আত্মা হয়তো আজো আহাজারি করে ব্রহ্মপুত্র নদের উপকুলীয় এলাকার গ্রামগুলোর আকাশে বাতাসে। এই হত্যাকান্ডে স্থানীয় ভাবে যারা পাক সেনাদের সহযোগিতা করেছিলেন তাদের বির“দ্ধে ইতিপূর্বে যুদ্ধাপরাধী মামলা দায়ের এবং দোষীদের অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

Originally posted 2025-11-13 01:10:23.

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ